
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এখন রাজপথে দেখা মিলছে তরুণ প্রজন্মের। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুরবস্থা, শিক্ষক সংকট, পরীক্ষার অনিয়ম, বেকারত্ব, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো ইস্যুগুলোকে কেন্দ্র করে এই প্রতিবাদগুলো দানা বাঁধছে। যদিও প্রতিটি দেশের পরিস্থিতি ভিন্ন, তবুও সব আন্দোলনের মূল কেন্দ্রে একটি অভিন্ন প্রশ্ন রয়ে গেছে—তরুণদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে রাষ্ট্র ও সরকার কতটা দায়িত্বশীল?
ফ্রান্সে বর্তমান সময়ে শিক্ষাব্যবস্থার সংকট নিয়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেখানে স্কুলশিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের সদস্যরা রাজপথে নেমেছেন। তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিক্ষক সংকট নিরসন এবং জরাজীর্ণ স্কুল ভবনগুলোর সংস্কার। এই আন্দোলনে সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গও সংহতি প্রকাশ করেছেন। যদিও বেশিরভাগ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল, তবুও কিছু স্থানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং বলপ্রয়োগের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
তরুণদের এই ক্ষোভ কেবল ফ্রান্সেই সীমাবদ্ধ নয়। ভারতে পরীক্ষা কেলেঙ্কারি, আলবেনিয়ায় দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন এবং বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থানের পর সংস্কার ও কর্মসংস্থানের দাবিগুলো একই ধারার প্রতিফলন। এছাড়া গত বছর মরক্কো, নেপাল, মাদাগাস্কার, ফিলিপাইন ও পেরুর মতো দেশেও তরুণদের নেতৃত্বে বিভিন্ন আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ, অর্থনৈতিক বৈষম্য, কর্মসংস্থানের অভাব এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা—এই বিষয়গুলো বারবার সামনে এসেছে। আন্দোলনটি এখন কেবল নির্দিষ্ট কোনো দাবির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তরুণদের অধিকার এবং রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের বৃহত্তর বিতর্কে রূপ নিচ্ছে।
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২: ০০আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২: ০১
ফ্রান্সে শিক্ষাব্যবস্থার সংকট, ভারতে পরীক্ষা কেলেঙ্কারি, আলবেনিয়ায় দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন, বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থানের পর সংস্কার ও কর্মসংস্থানের প্রত্যাশা—দেশ ভিন্ন হলেও তরুণদের ক্ষোভের জায়গায় মিল রয়েছে। ফ্রান্স, ভারত ও আলবেনিয়ায় সাম্প্রতিক বিক্ষোভের ঘটনাগুলো ব্যাপারটিকে নতুন করে সামনে এনেছে। বাংলাদেশেও ২০২৪ সালের জু
আপনার মতামত লিখুন :