Facebook Twitter Instagram YouTube

জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: মাহদী আমিন


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৪, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ /
জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং বাকস্বাধীনতা সুরক্ষা করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স-২০২৬’ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালেটিকসের (দায়রা) আয়োজনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

মাহদী আমিন বলেন, সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস দেশের জনগণ। বর্তমান সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তিনি বিগত ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সে সময় বিএনপি রাজনৈতিক নিপীড়ন ও নৃশংসতার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী ছিল। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং হেফাজতে মৃত্যুর পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় এটি স্পষ্ট। তিনি আরও জানান, প্রায় ৭০০ জনের বেশি মানুষ গুম হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও স্বজন হারানোর ব্যথায় গভীরভাবে ব্যথিত, কারণ তিনি ব্যক্তিগতভাবে ও পারিবারিকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন। অতীতে তাকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি এবং তার পরিবারের সদস্যদের ওপর নানা নির্যাতন চালানো হয়েছে। বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার অনেক সদস্যও অতীতে গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে তিনি জানান।

মাহদী আমিন বলেন, বিগত সরকারের আমলে ক্ষমতার উৎস জনগণ ছিল না, বরং পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও বিচার বিভাগ ছিল ক্ষমতার মূল ভিত্তি। বর্তমান সরকার একটি ‘রিসেট বোতাম’ চেপে নতুন এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছে। প্রতিশোধের সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে ন্যায্য বিচার প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনো অপরাধী যেন পার না পায় এবং কোনো নির্দোষ মানুষ যেন স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, গত ৫ আগস্ট থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত সরকারবিহীন অবস্থায় বিএনপি সব গণতন্ত্রকামী দলকে সাথে নিয়ে শান্তি ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করেছিল। ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নারী ও যুবসমাজকে ক্ষমতায়ন এবং সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। প্রশাসনিক গতিশীলতা আনতে প্রতিটি মন্ত্রণালয় ১৮০ দিনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে বলেও তিনি জানান।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor