Facebook Twitter Instagram YouTube

বাকৃবির অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন ও ভাতা প্রাপ্তিতে আসছে অটোমেশন সুবিধা


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১৮, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ /
বাকৃবির অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন ও ভাতা প্রাপ্তিতে আসছে অটোমেশন সুবিধা

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পেনশন ও বিভিন্ন ভাতা প্রাপ্তির দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে অটোমেশন পদ্ধতি চালুর সুপারিশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ লক্ষ্যে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছিল, যারা মঙ্গলবার তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট ও সুপারিশ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার কাছে হস্তান্তর করেছে।

কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, এখন থেকে পেনশন, উৎসব ভাতা ও বাংলা নববর্ষ ভাতার পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইন বা অটোমেশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এর ফলে পেনশনভোগীদের প্রতি মাসে আলাদাভাবে বিল ফরম জমা দেওয়ার পুরোনো নিয়মটি বাতিল হবে। এছাড়া বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনে ‘লাইভ ভেরিফিকেশন’ সম্পন্ন করে নিয়মিত পেনশন ও ভাতা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার সার্ভারে পেনশনভোগীদের তথ্যের ভিত্তিতে একটি সুরক্ষিত ডাটাবেস তৈরিরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, অনেক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মকর্তা দেশের বিভিন্ন জেলা কিংবা বিদেশে অবস্থান করেন। প্রতি মাসে নির্ধারিত সময়ে হিসাব শাখায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে বিল ফরম জমা দেওয়া তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ছিল। এই সমস্যার সমাধানে গত ২৭ মে উপাচার্যের নির্দেশে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাকোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক। সদস্য হিসেবে ছিলেন আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রুস্তম আলী, হিসাব শাখার এডিশনাল ট্রেজারার মো. সাজ্জাদ হোসেন মণ্ডল এবং সংস্থাপন শাখা-৫ (পেনশন)-এর এডিশনাল রেজিস্ট্রার মো. সাহেবুল ইসলাম খান। এছাড়া হিসাব শাখার (পেনশন গ্রুপ) ডেপুটি ট্রেজারার মো. দেলোয়ার হোসেন সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির ও রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে কমিটিতে যুক্ত ছিলেন।

রিপোর্ট গ্রহণের পর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের সেবক এবং গর্বের অংশ। তাঁদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা যেন সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে দেওয়া যায়, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নৈতিক দায়িত্ব। তিনি আরও জানান, কমিটির সুপারিশগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে অতিশীঘ্রই বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, যা পেনশন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করবে।

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ২৬আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ২৭

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh