Facebook Twitter Instagram YouTube

বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় ভারত: জয়সোয়াল


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ /
বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় ভারত: জয়সোয়াল

বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক গড়ে তুলতে ভারত আগ্রহী। নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল ভারত সরকারের এই অবস্থান তুলে ধরেন।

ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও জয়সোয়াল এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানাননি। এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ ওসমান হাদির হত্যাকারী এবং অন্যান্য পলাতক ব্যক্তিদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শর্ত আরোপের প্রশ্নে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে এবং বাংলাদেশের অনুরোধ ভারতের বিদ্যমান আইনি প্রক্রিয়ার নিরিখে পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে।

ভারত থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি পাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধের প্রসঙ্গটি এদিনও আলোচনায় আসে। এর জবাবে জয়সোয়াল জানান, ভারতের নিজস্ব জ্বালানি মজুত, শোধনাগারের সক্ষমতা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাড়তি জ্বালানি সরবরাহ করা সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশে চলমান ভারতীয় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো থমকে থাকা এবং তা শুরু করার বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো অনুরোধ করা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে তিনি আবারও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ভারতের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখা।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিমের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে ভারতীয় উপমহাদেশীয় অঞ্চলে আল-কায়েদার বিস্তার ও বাংলাদেশে তাদের ঘাঁটি গড়ার চেষ্টার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে জয়সোয়াল বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও নিরাপত্তা ইস্যু সবার জন্যই উদ্বেগের বিষয় এবং ভারত চায় সম্মিলিতভাবে এই বিপদের মোকাবিলা করতে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই প্রতিবেদনে বিশেষভাবে লালকেল্লায় হামলার পেছনে জড়িত শক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তিস্তার পানিবণ্টন এবং ওই প্রকল্পে চীনের আগ্রহের বিষয়েও প্রশ্ন করা হয়। জানতে চাওয়া হয়েছিল, তিস্তা নিয়ে আলোচনায় বাংলাদেশ আলাদাভাবে আগ্রহ দেখিয়েছে কি না কিংবা তিস্তা প্রকল্পে চীনের আগ্রহের বিষয়ে ভারত কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কি না। জয়সোয়াল এর জবাবে বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন বিষয়ে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থাপনার ওপরই জোর দেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo