Facebook Twitter Instagram YouTube

চা-শ্রমিকদের সুরক্ষায় ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১৮, ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ /
চা-শ্রমিকদের সুরক্ষায় ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

সমাজের প্রতিটি মানুষ যদি একটু একটু করে এগিয়ে আসে, তবে অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি সিলেট বিভাগের চা-বাগান শ্রমিকদের জন্য ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এবং জনকল্যাণমূলক কাজে যারা অংশ নিতে চায়, সরকার সর্বদা তাদের পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের ১০ জন চা-শ্রমিকের হাতে রেইনকোট তুলে দেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উদ্যোগে পরিচালিত এই কর্মসূচির আওতায় সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার চা-বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের মাঝে এই রেইনকোটগুলো প্রদান করা হচ্ছে। বেসরকারি খাতের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের সহায়তায় এই রেইনকোটগুলো সরবরাহ করা হয়েছে।

বিতরণ করা ২০ হাজার রেইনকোটের মধ্যে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বাপি) ১০ হাজার, শেভরন বাংলাদেশ পাঁচ হাজার এবং পাণ্ডুঘর গ্রুপ পাঁচ হাজার রেইনকোট সরবরাহ করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা জানান, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে দায়িত্ব পালন করা সিএসআরের অংশ। তাঁরা সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভবিষ্যতে চা-শ্রমিকসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

রেইনকোট গ্রহণকালে শ্রীমঙ্গলের মাজদিহি চা-বাগানের শ্রমিক সন্তুকী রায় চা-শ্রমিকদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চা-পাতা উপহার দেন। অনুষ্ঠানে চা-শ্রমিকদের পক্ষে শান্তি উড়িয়া, মুন্নী কুর্মি, জ্যোৎস্না আক্তার, রিনা তাঁতী, শশিকা ব্যানার্জি, কবিতা কর্মকার, সুজাতা বিশ্বাস, রিতা রানী বাউরী ও আফখাতুন নাহার উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। এছাড়া সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, নাসির উদ্দিন মিঠু, মো. শওকতুল ইসলাম, এম নাসের রহমান, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, জি কে গউছ এবং এস এম ফয়সাল উপস্থিত ছিলেন। বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের মধ্যে বাপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোসাদ্দেক হোসেন, উপদেষ্টা তপন চৌধুরী, ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান, বাপির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, শেভরন বাংলাদেশের পরিচালক মো. ইমরুল কবির, আশিক শেহজাদ রহমান, এ কে এম আরিফ আখতার এবং পাণ্ডুঘর গ্রুপের গোলাম হাবিব উপস্থিত ছিলেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo