Facebook Twitter Instagram YouTube

সাড়ে তিন মাস পর বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ /
সাড়ে তিন মাস পর বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে দাম কমে যাওয়ার মুখে দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পর বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কেনা শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার নিলামের মাধ্যমে চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৫ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতি ডলারের জন্য দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। এর আগে সর্বশেষ গত ২০ মে বাজার থেকে ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালের দিকে ডলারের বাজারদর কিছুটা কম ছিল। রেমিট্যান্স হাউসগুলো থেকে ব্যাংকগুলো ১২২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৪০ পয়সা দরে ডলার সংগ্রহ করছিল। অন্যদিকে, আমদানি দায় বা ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ডলারের দর ছিল ১২২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৬০ পয়সা। তবে দুপুরের দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে ডলার কেনার ঘোষণা দিলে বাজারে এর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়ে। বিকেলের দিকে অনেক ব্যাংক একই দরে রেমিট্যান্সের ডলার কেনা এবং এলসি নিষ্পত্তি শুরু করে।

সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নিলে তা সকালেই ব্যাংকগুলোকে জানিয়ে দেয়। তবে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর ফলে সকালে ব্যাংকগুলো তুলনামূলক কম দরে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের এলসি নিষ্পত্তি করার সুযোগ পায়।

বাণিজ্যিক ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ডলার কেনার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাজারে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, ডলারের দর ১২২ টাকা ৭৫ পয়সার নিচে নামতে দেওয়া হবে না। ব্যাংকারদের মতে, বর্তমানে ব্যাংকগুলোর কাছে পর্যাপ্ত ডলারের সরবরাহ রয়েছে। একই সঙ্গে কমেছে আমদানি দায় পরিশোধের চাপও। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ দুর্বল থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদাও আগের চেয়ে কম। ফলে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় ডলারের দাম দিন দিন কমছিল।

এর আগে গত কয়েক সপ্তাহে ডলারের দরে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা গেছে। দুই সপ্তাহ আগে ডলারের দর ১২২ টাকায় নেমে আসার পর গত সপ্তাহের শেষ দিকে তা আবার ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা পর্যন্ত উঠেছিল। তবে আগামী মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কিছু আমদানি বিল পরিশোধের সময় ঘনিয়ে আসায় ডলারের চাহিদা আবার বাড়তে পারে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din