
রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাতে দোকান বসানো এবং চাঁদা আদায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ঢাকা কলেজ ছাত্রদল ও নিউমার্কেট থানা যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত ৮টার পর নিউমার্কেটের বলাকা সিনেমা হলের সামনে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। দফায় দফায় চলা এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল এবং ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, নিউমার্কেট থানা যুবদলের নেতাকর্মীরা বলাকা সিনেমা হলের সামনের ফুটপাতে কিছু দোকান বসিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তারা নিজেরাই এই দোকানগুলো পরিচালনা করছিলেন। তবে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী সেই জায়গা দখল করে নিজেদের অনুসারীদের দোকান বসানোর চেষ্টা করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার রাতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দোকানগুলো উচ্ছেদ করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
এই সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের প্রায় ১৫ জন এবং নিউমার্কেট থানা যুবদলের ১০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সায়েন্সল্যাবের বসুন্ধরা গলিতে অবস্থিত নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব এ কে এম চঞ্চলের অফিসে গিয়ে ভাঙচুর চালান।
ঘটনার বিষয়ে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব এ কে এম চঞ্চল অভিযোগ করেন, ছাত্র নামধারী ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের কিছু পোলাপান এবং সাবেক ছাত্ররা এই হামলা চালিয়েছে। তিনি দাবি করেন, তার কোনো ব্যক্তিগত দোকান নেই এবং ঘটনার সময় তার অফিসে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব মিল্লাদ হোসেন জানান, তিনি ঢাকার বাইরে আছেন এবং ঘটনার বিষয়ে অবগত নন। তিনি এ বিষয়ে আহ্বায়ক পিয়াল হাসানের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। আহ্বায়ক পিয়াল হাসানকে ফোন করা হলে তিনি জানান, তিনি বর্তমানে একটি ঝামেলার মধ্যে আছেন এবং পরে কথা বলবেন।
আপনার মতামত লিখুন :