
ঢাকার ক্রমবর্ধমান বিশুদ্ধ পানির চাহিদা ও চলমান সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা অত্যন্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেন ব্রিক্স মোলারের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় মন্ত্রী তাকে অভিনন্দন জানান। মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, পানি সরবরাহ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ডেনমার্ক বাংলাদেশের অন্যতম সহযোগী হতে পারে। বিশেষ করে বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও দেশটিতে বিনিয়োগের বড় সুযোগ রয়েছে।
আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্প (ফেজ-৩)। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ডেনমার্ক সরকার মোট সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা অর্থায়ন করবে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে এবং ৩ হাজার কোটি টাকা স্বল্পসুদে ঋণ সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হবে।
বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের জানান, সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে ডেনমার্কের এই সহযোগিতা সরকারের জন্য একটি বড় সাফল্য। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা শহরে বিশুদ্ধ পানির ক্রমবর্ধমান চাহিদার চাপ অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :