
আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশ অমান্য করার অভিযোগে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সাবেক দুই মহাপরিচালককে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১২ আগস্ট তাদের সশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়ে এ বিষয়ে নিজেদের ভূমিকার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার (২২ জুলাই) এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবির।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, মাদারীপুরের রাজৈর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন মরিয়ম মুজাহিদার স্থলে অন্য এক ব্যক্তিকে আয়ন-ব্যয়ন (ডিডিও) কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয় শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন অধ্যক্ষ মরিয়ম মুজাহিদা।
পরবর্তীতে আদালত ওই নিয়োগ আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ প্রদান করেন। তবে আদালতের স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে তা কার্যকর করার কোনো চিঠি পাঠানো হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে অধ্যক্ষ মরিয়ম মুজাহিদা একটি আদালত অবমাননার আবেদন দাখিল করেন।
শুনানি শেষে আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির জানান, ওই আদালত অবমাননার মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই আজ হাইকোর্ট শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক দুই মহাপরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান ও প্রফেসর বি এম আব্দুল হান্নানকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ওই আদালত অবমাননার মামলায় আজ আদালত শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক ২ মহাপরিচালক প্রফেসর ড.
আপনার মতামত লিখুন :