Facebook Twitter Instagram YouTube

উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের ব্যাপক হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা


প্রকাশের সময় : জুলাই ১৩, ২০২৬, ৭:০১ পূর্বাহ্ণ /
উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের ব্যাপক হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার এই হামলা চালানো হয়। এই হামলার পরিধি আগের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত ছিল। এমনকি যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার পর্যন্ত হামলার আওতায় এসেছে, যেখানে এপ্রিলের পর আর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করেছে; মে মাসের শুরুর পর সেখানেও এটিই ছিল প্রথম হামলার ঘটনা।

ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বন্দর আব্বাস ও এর নিকটবর্তী কেশম দ্বীপের আশেপাশে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই উত্তেজনার মধ্যেই তেহরান গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এই অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই সামরিক কার্যক্রম পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক ও বেসামরিক জাহাজগুলোর ওপর ইরানের হামলার ক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতে রোববার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে পাল্টা হামলা শুরু করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রয়টার্সকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত ফোনালাপে এই সপ্তাহের মার্কিন হামলার বিষয়ে বলেন, ‘আমরা ওদের ওপর তীব্র আঘাত হানছি।’

সাম্প্রতিক এই সহিংসতা গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তির ভবিষ্যৎকে চরম সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। ওই চুক্তির লক্ষ্য ছিল পরবর্তী ৬০ দিন আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা। যদিও গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছিলেন, তবে তিনি আলোচনার পথ খোলা রাখার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo