Facebook Twitter Instagram YouTube

দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতির আশা


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ /
দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতির আশা

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই পরিস্থিতিতে মানুষের কষ্টে আমরা সমব্যথী।

গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, নষ্ট হওয়া একটি এফএসআরইউ মেরামতের পর গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা এরই মধ্যে প্রায় ৮৮ শতাংশ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ১২ শতাংশও দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি সম্পর্কে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট এবং রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বর্তমানে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে নেই। উত্তাল বঙ্গোপসাগরের কারণে কয়লাবাহী লাইটারেজ আনা যাচ্ছে না, তবে আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এই সংকট কেটে যাবে এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরবে। এছাড়া অতিবৃষ্টির কারণে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রেও কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। সরকার আশা করছে, ১৫ সেপ্টেম্বরের পর থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে এক বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ক্রুড অয়েল পরিশোধন সক্ষমতা তিন গুণ বেড়ে বছরে প্রায় ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছাবে, যা দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার ৫০ শতাংশের বেশি মেটাতে সক্ষম হবে এবং জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যদিও ডিপিপি অনুযায়ী ২০৩০ সালে প্রকল্পটি চালুর কথা রয়েছে, তবে সরকার নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করার চেষ্টা করবে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh