
জামায়াতের আমির কর্তৃক আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জামায়াতের আমির মূলত আওয়ামী লীগকে নরমালাইজ বা স্বাভাবিক করার সুযোগ করে দিয়েছেন।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্যমতে, ভোটের রাজনীতির স্বার্থে জামায়াতের আমিরের এই নমনীয়তা আওয়ামী লীগের বিচারের পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এর ফলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাতারাতি জামায়াতে যোগ দিয়ে দায়মুক্তি পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এবং দল হিসেবে আওয়ামী লীগ পুনরায় প্রাসঙ্গিক হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যে এবং গোপনে সব আওয়ামী লীগ রাতারাতি জামায়াত হয়ে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জামায়াতের এই পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার কারণে আওয়ামী অপরাধীদের সঠিক বিচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অপরাধের বিচার না হলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে, যার প্রমাণ হিসেবে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাটিকে তিনি তুলে ধরেন। রাশেদ খাঁনের মতে, জামায়াত যতোই আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন করে ভোটব্যাংক বাড়াতে চেষ্টা করুক না কেন, ওরা কখনো কামব্যাক করতে পারলে সবার আগে জামায়াতকে দিয়েই প্রতিশোধ শুরু করবে।
জামায়াত-এনসিপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী ব্যবসায়ী ও নেতাদের থেকে লংমার্চ বা কর্মসূচির জন্য অর্থ এবং প্রাডো গাড়ি নিয়ে পুনর্বাসন বন্ধ করুন। আওয়ামী লীগকে জাতির শত্রু আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, দলটির বিচারের জন্য সামাজিক ও রাজনৈতিক ঐক্য প্রয়োজন। রাশেদ খাঁনের মতে, জামায়াতের আমিরের উচিত সংসদে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া এবং আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে রাজনৈতিক ঐকমত্যের প্রস্তাব করা। অন্যথায়, বিএনপি সরকার বিচার করলেও জামায়াতের এই কৌশলের কারণে আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে ফিরে আসতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন। তার পোস্টটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো-
‘‘গণঅভ্যুত্থানের ১ মাস যেতে না যেতেই আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা করেন জামায়াতের আমির! মূলত ভোটের রাজনীতির কারণে তিনি আওয়ামী লীগের প্রতি নমনীয়তা দেখান। আর এটিই হয়ে যায় আওয়ামী লীগের বিচারের পথে বড় বাধা। ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগ নরমালাইজড হয়ে যায়। এরপর আওয়ামী লীগের নেতারা বলা শুরু করেন, যারা আওয়ামী লীগ করতেন, তারা জামায়াতে যোগদ
আপনার মতামত লিখুন :