Facebook Twitter Instagram YouTube

মাতৃত্বই জীবনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক কাজ, বললেন স্মৃতি ইরানি


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১৫, ২০২৬, ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ /
মাতৃত্বই জীবনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক কাজ, বললেন স্মৃতি ইরানি

সংসার, সন্তান পালন এবং নিজের হাইপ্রোফাইল ক্যারিয়ার—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা যেকোনো নারীর জন্যই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে আয়োজিত ‘মম পাওয়ার কনফারেন্স ২০২৬’ সম্মেলনে যোগ দিয়ে মাতৃত্বের সেই অম্লমধুর ও কঠিন বাস্তবতার কথা তুলে ধরেন বিজেপি নেত্রী ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্মৃতি ইরানি।

তিন সন্তানের জননী স্মৃতি ইরানি বলেন, একজন মায়ের জীবন মানেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আর ত্যাগের গল্প। মায়েরা দিন-রাত পরিশ্রম করে সন্তানদের বড় করে তোলেন, অথচ সেই সন্তানরা বড় হয়ে স্বাধীন হওয়ার পর মায়ের ওপর নির্ভরতা হারিয়ে ফেলে। কর্মজীবী মায়েদের লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ক্যারিয়ার ও মাতৃত্ব সামলাতে গিয়ে জীবনের একটি বড় সময় কখন যে পার হয়ে যায়, মায়েরা তা মনেই রাখতে পারেন না। তিনি উপস্থিত কর্মজীবী মায়েদের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, এসব দায়িত্ব সামলানোর কোনো স্পষ্ট স্মৃতি কি আপনাদের মনে আছে? যদি বিন্দুমাত্র মনে থাকে, তবে তা কেবলই চ্যালেঞ্জের গল্প।

স্মৃতি ইরানি জানান, সন্তানকে বড় করতে গিয়ে প্রতিদিন ও প্রতিমুহূর্তে মায়েরা অসংখ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। বাইরে উদয়াস্ত পরিশ্রম শেষে বাড়ি ফিরে সন্তানকে খাওয়ানো, হোমওয়ার্ক করানো, সংসারের কাজ সামলানো এবং পরের দিনের অফিসের প্রেজেন্টেশনের প্রস্তুতি নেওয়া—এমন কত রাত যে তারা না ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন, তার ইয়ত্তা নেই।

এই বিজেপি নেত্রী আরও বলেন, মায়েরা নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দেন সন্তানকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলার জন্য। কিন্তু সন্তান যখন স্বাবলম্বী হয়ে ওঠে, তখনই মায়ের জীবনের আসল ট্র্যাজেডি শুরু হয়। জীবনের অর্ধেক সময় ব্যয় করে সন্তানকে বড় করার পর ৫০-৫৫ বছর বয়সে এসে মায়েরা দেখেন, সন্তানরা যার যার নিজস্ব জীবনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্মৃতি ইরানির মতে, মাতৃত্ব হলো সবচেয়ে হৃদয়বিদারক কাজ। এটি এমন এক দায়িত্ব, যা তখনই সফলভাবে সম্পন্ন হয় বলে ধরা হয়, যখন সন্তানের আর তার মায়ের কোনো প্রয়োজন থাকে না।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh