
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে এই আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, আমন্ত্রণপত্রটি ইতোমধ্যে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণপত্রটি পেয়েছি এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও বিশেষ আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী এই সম্মেলনে সশরীরে যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো জানানো হয়নি। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের বিবেচনায় রয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পক্ষে। ঢাকা আশা করে, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করবে।
প্রতিমন্ত্রী এসময় আগামী ৩০ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোরের সম্ভাব্য ঢাকা সফরের বিষয়েও কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হচ্ছে। এই সফরের মাধ্যমে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলে সরকার প্রত্যাশা করছে।
এছাড়া প্রেসিডেন্টকে নিয়ে গণমাধ্যমে আসা বিভিন্ন প্রতিবেদনের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে জানান শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, কোনো তথ্য সত্য প্রমাণিত হলে সরকার তদন্ত করবে। পাসপোর্ট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পাসপোর্টের মান কমেনি। বিভিন্ন দেশে ভিসা জটিলতা নিরসনে পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে এবং অবৈধ অভিবাসন ও জাল কাগজপত্রের মতো সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে।
আপনার মতামত লিখুন :