Facebook Twitter Instagram YouTube

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার, পেন্টাগনের বাড়তি তহবিল দাবি


প্রকাশের সময় : জুলাই ২২, ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ /
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার, পেন্টাগনের বাড়তি তহবিল দাবি

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মোট সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ ৩ হাজার ৭৫০ কোটি বা ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গত মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ কংগ্রেসের আইনপ্রণেতাদের সামনে এই খরচের হিসাব তুলে ধরেন। ভারী বোমাবর্ষণ শুরুর পর প্রথমবারের মতো আইনপ্রণেতাদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মূলত এই অজনপ্রিয় যুদ্ধ চালিয়ে নিতে জরুরি তহবিল চেয়েছেন। এর আগে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হয়েছিল।

সিনেটের বরাদ্দ কমিটির শুনানিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ পেন্টাগনের জন্য আরও প্রায় ৬৭ বিলিয়ন ডলার জরুরি তহবিলের প্রস্তাব করেন। তিনি এবং যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন জানান, সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ পরিচালনার জন্য এই অর্থ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তবে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জিন শাহিন এই দাবির সমালোচনা করে প্রশ্ন তোলেন যে, হেগসেথের হাতে এখনো ৭৫ বিলিয়ন ডলার অব্যবহৃত তহবিল রয়েছে। তিনি আরও জানতে চান, যে যুদ্ধের প্রতি জনগণের সমর্থন নেই, তার খরচ কেন সাধারণ মানুষের ওপর চাপানো হচ্ছে এবং কেন অব্যবহৃত তহবিল ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হচ্ছে না।

জবাবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, অব্যবহৃত অর্থ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্যান্য অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পে বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হাইপারসনিক প্রযুক্তি, সামরিক অস্ত্র উন্নয়ন এবং ‘গোল্ডেন ডোম ফর আমেরিকা’ প্রকল্প। তিনি আরও জানান, নতুন প্রস্তাবিত তহবিলের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো পুনর্নির্মাণের সম্ভাব্য খরচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এদিকে, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ডেমোক্র্যাটরা অজনপ্রিয় এই যুদ্ধের খরচের সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয়ের বিষয়টি যুক্ত করে প্রচার চালাচ্ছেন। শুনানিতে রিপাবলিকান সিনেটর জন কেনেডিসহ অন্যান্য আইনপ্রণেতারা যুদ্ধ পরিচালনায় স্বচ্ছতার দাবি জানান এবং মার্কিন কৌশল সম্পর্কে জানতে চান। কেনেডি জানতে চেয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি হরমুজ প্রণালী থেকে সরে যায়, তাহলে পরিস্থিতি কী হবে। তবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ইরান কোনো ফি বা অর্থ আদায় করবে কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো উত্তর দেননি হেগসেথ ও জেনারেল কেইন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin