
নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত এলাকায় সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩০ জনে পৌঁছেছে। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে দুর্গম এলাকাগুলোতে জোর তৎপরতা ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বুধবারের এই বন্যায় চীনের তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিখোঁজদের তালিকায় অন্তত ৭০০ জন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বন্যার তীব্র স্রোতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পুরোপুরি ভেসে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সাধারণত এই সড়কটি ব্যবহার করে বিপুলসংখ্যক পর্যটক, পর্বতারোহী ও তীর্থযাত্রীরা চলাচল করতেন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে হতাহত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উদ্ধার অভিযানে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। দুর্গম শহর ও উপত্যকায় আটকা পড়া হাজারো মানুষের কাছে আকাশপথে তাঁবু, খাবার ও প্রয়োজনীয় জরুরি সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ভয়াবহ এই ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও কয়েকজনের অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ এবং নিখোঁজদের অবস্থান শনাক্তে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক ধারণা, হিমবাহ ধসের কারণেই এই আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :