
‘বৈচিত্র্যের মাঝে আমাদের সম্প্রীতিই সবচেয়ে বড় শক্তি’—এই সম্প্রীতি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলীর সাগরিকা মোড়ে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আয়োজিত স্বাগত মিছিল-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সাঈদ আল নোমান বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিএনপিকে ভোট দিয়ে যে আস্থা রেখেছিলেন, সেই আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং সম্প্রীতির বার্তা দিতেই প্রধানমন্ত্রী নিজে চট্টগ্রামের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আসছেন। তিনি অতীতের স্মৃতিচারণ করে জানান, ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামের জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপে এসেছিলেন। সে সময় প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমানের আমন্ত্রণে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। এবার তারই সন্তান চট্টগ্রামবাসীর আমন্ত্রণে একই পূজামণ্ডপে আসছেন।
বিএনপি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কেবল নিরাপত্তা দিচ্ছে না, বরং পূর্ণ সহযোগিতা করছে উল্লেখ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, মানবতাই আমাদের মূল পরিচয় এবং সম্প্রীতিই আমাদের বড় শক্তি। সংসদ সদস্য হিসেবে তিন বেলা খাবার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা তার দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সমাবেশ শেষে সাগরিকা মোড় থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাগরিকা স্কয়ারে গিয়ে শেষ হয়। র্যালি চলাকালে সাঈদ আল নোমান কাঁধে ঢাক ঝুলিয়ে বাজিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করেন। র্যালি শেষে দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলালের সভাপতিত্বে এবং পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া, নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুর রহমান স্বপন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এসকে খোদা তোতন, সদস্য আবুল হাশেম, মোশাররফ হোসেন ডিপ্টি, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রাজীব ধর তমাল এবং স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আপনার মতামত লিখুন :