Facebook Twitter Instagram YouTube

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: সিজেপি


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৪, ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ /
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: সিজেপি

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চলমান আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় অবস্থান নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সরকারের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনার টেবিলে বসার আগে দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া এই সংকটের কোনো সমাধান সম্ভব নয়। ভারতীয় বার্তাসংস্থা এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য প্রথমে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে.পি. নাড্ডার সরকারি বাসভবনকে ভেন্যু হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে সিজেপি জানিয়ে দেয়, যন্তর মন্তরের আন্দোলনস্থল অথবা নিরপেক্ষ কোনো স্থান ছাড়া তারা আলোচনায় বসবে না। শেষ পর্যন্ত সরকার অবস্থান পরিবর্তন করলে নয়াদিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়াতে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এ বিষয়ে বলেন, সরকার দাবি মেনে নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনায় রাজি হওয়ায় তারা সন্তুষ্ট এবং আশা করেন সরকার খোলা মনে জনগণের কথা শুনবে। এর আগে ২০ জুলাই নাড্ডার বাসভবনে প্রথম দফা বৈঠকের পর সিজেপি নেতারা অভিযোগ করেছিলেন যে, তাদের কার্যত ভার্চুয়াল গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল।

আন্দোলন প্রত্যাহার প্রসঙ্গে অভিজিৎ দিপকে বলেন, সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক আহ্বান জানালেও তারা পিছু হটবেন না। তার ভাষ্যমতে, এই আন্দোলন এখন আর ব্যক্তি বিশেষের নয়, বরং এটি সারা দেশের তরুণদের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তাই পদত্যাগের নিচে কোনো কিছুই তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে তরুণদের কল্যাণের কথা উল্লেখ করে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর বার্তায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে কোনো উল্লেখ না থাকায় আন্দোলনকারীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত নতুন কিছু নয় এবং এটি শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত সমস্যার সমাধান দিতে পারে না।

একই সঙ্গে সরকার উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বিনীত জোশিকে সরিয়ে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ে বদলি করেছে এবং স্কুল ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের শীর্ষ পদে নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইন চূড়ান্ত করা হবে এবং আগামী সপ্তাহে সংসদে এ সংক্রান্ত বিল উত্থাপন করা হবে। ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও সিজেপির এই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি অব্যাহত রেখেছে।

পদত্যাগের কম কিছুই গ্রহণযোগ্য নয়।’ ২৬ দিনের অনশন ভেঙে দেওয়া সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যদি আন্দোলন প্রত্যাহারের আহ্বান জানান, সেক্ষেত্রে কী করবেন- এমন প্রশ্নের জবাবেও নেতিবাচক অবস্থান নেন দিপকে।তার ভাষায়, ‘এই আন্দোলন এখন আর শুধু অভিজিৎ দিপকে বা সোনম ওয়াংচুকের নয়।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy