Facebook Twitter Instagram YouTube

প্রভাষক সেজে এইচএসসি খাতা মূল্যায়ন: শোকজ পেল গ্রিনহিল স্টেট কলেজ


প্রকাশের সময় : আগস্ট ৭, ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ /
প্রভাষক সেজে এইচএসসি খাতা মূল্যায়ন: শোকজ পেল গ্রিনহিল স্টেট কলেজ

সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ এলাকার গ্রিনহিল স্টেট কলেজের অফিস সহকারী জয়ন্ত দত্তের বিরুদ্ধে প্রভাষক পরিচয়ে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, তিনি গত চার বছর ধরে নিজেকে প্রভাষক পরিচয় দিয়ে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সিলেট শিক্ষা বোর্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মণকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে।

এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী, একজন পরীক্ষককে অবশ্যই কলেজ পর্যায়ের প্রভাষক হতে হয় এবং তার ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক। অথচ জয়ন্ত দত্তের এই যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও এ বছর তিনি বাংলা প্রথম পত্রের ৫৫৪ জন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে শিক্ষা বোর্ডে জমা দিয়েছেন।

অভিযুক্ত জয়ন্ত দত্তের দাবি, ২০১৯ সালে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর শিক্ষক সংকটের কারণে তিনি ওই কলেজে বাংলা পড়ানো শুরু করেন। তিনি আরও জানান, তার নিয়োগপত্রটি কলেজের প্রয়াত অধ্যক্ষ প্রশান্ত কুমার সাহার কাছে ছিল।

তবে নিয়োগপত্রের বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মণ দাবি করেছেন, জয়ন্ত দত্তের নিয়োগপত্র পরিচালনা পর্ষদের কাছে সংরক্ষিত আছে এবং বোর্ডের অনলাইন আবেদনে তিনি নিজে কোনো অনুমোদন দেননি। তার দাবি, এই অনুমোদন দিয়েছেন পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী। অন্যদিকে, সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী পাল্টা দাবি করেছেন যে, নিয়োগপত্রটি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছেই রয়েছে এবং আবেদনে তিনিই অনুমোদন দিয়েছেন।

এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের বিদায়ি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, পরীক্ষক হওয়ার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করা আবশ্যক। এই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তা গুরুতর অনিয়ম হিসেবে গণ্য হবে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জনকে শোকজ করা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor