Facebook Twitter Instagram YouTube

দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’-এর


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২৮, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ /
দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’-এর

দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও সহজ, সমন্বিত এবং বিনিয়োগবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে নতুন সংস্থা ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম শুরু করেছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষকে (পিপিপিএ) একীভূত করে এই সংস্থাটি গঠন করা হয়েছে। ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর আওতায় গেজেট প্রকাশের পর প্রথম কর্মদিবসেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ এই শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থাটি যাত্রা শুরু করে।

নতুন এই সংস্থাটি তার ব্র্যান্ড পরিচয়ও উন্মোচন করেছে, যা তিনটি পৃথক প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণের মাধ্যমে একটি সমন্বিত জাতীয় বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার বার্তা দেয়। ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানিয়েছেন, এটি কেবল প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ নয়, বরং বিনিয়োগকারীকে কেন্দ্রে রেখে সরকারি সেবাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে সাজানোর একটি উদ্যোগ। তিনি বলেন, সক্ষমতাগুলো একত্র করার মাধ্যমে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব ও জবাবদিহি আরও স্পষ্ট হবে এবং বিনিয়োগকারীরা এখান থেকে সমন্বিত সহায়তা পাবেন।

নতুন আইনের আওতায় অর্থনৈতিক অঞ্চল, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলসহ অন্যান্য শিল্পাঞ্চলকে একটি কাঠামোর অধীনে আনা হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা লাইসেন্স, অনুমোদন, সরকারি সেবা, প্রণোদনা এবং নীতিগত সহায়তা এখন এক জায়গা থেকেই পাবেন। এছাড়া অব্যবহৃত সরকারি জমি ও স্থাপনা উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের পাশাপাশি ব্যবসার সব সেবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সংস্থাটি তাদের বিদ্যমান ‘বাংলাবিজ’ প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার পাশাপাশি বর্তমানে ১৪ দিনের ব্যবসায়িক লাইসেন্সিং কাঠামো কার্যকর করতে কাজ করছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরে ও বাইরের সব ধরণের বিনিয়োগ প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করবে। তবে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পরিবহন সুবিধার কারণে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো অগ্রাধিকার পাবে। এছাড়া বিডা, বেজা ও পিপিপিএ’র বিদ্যমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরির ধারাবাহিকতা ও সুযোগ-সুবিধা নতুন সংস্থায় বহাল থাকবে। মার্চ মাসে ঘোষিত সরকারি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ১৮০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে সংস্থাটি এ বিষয়ে একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ করবে বলেও জানানো হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin