Facebook Twitter Instagram YouTube

ইরানি হামলায় কুয়েত ও বাহরাইনে সতর্কতা, সক্রিয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা


প্রকাশের সময় : জুলাই ১৫, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ / ০
ইরানি হামলায় কুয়েত ও বাহরাইনে সতর্কতা, সক্রিয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালিয়েছে ইরান, যার প্রভাবে প্রতিবেশী দেশ কুয়েত ও বাহরাইনে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় দেশ দুটিতে জরুরি সতর্ক সাইরেন বাজানো হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উভয় দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ সক্রিয় করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির তথ্য প্রকাশ করা হয়।

কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে নিরাপত্তা ও সুরক্ষাবিষয়ক নির্দেশনা মেনে চলার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে, বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং প্রয়োজনে নিকটতম নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলেছে।

এই হামলার প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা গেছে, ইরান হামলা চালানোর কিছুক্ষণ আগেই দেশটির কিশ ও কেশম দ্বীপ লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হামলা চালায়। আল জাজিরা ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে জানায়, বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। গত তিন দিনে মার্কিন বাহিনী দ্বীপ দুটিতে বারবার হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য কেশম দ্বীপটি ইরানের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র মজুত থাকার ধারণা করা হয়।

এদিকে, বর্তমান উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তেহরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। নেগেভ মরুভূমির ডিমোনা শহরে এক সম্মেলনে তিনি বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে কোনো হামলা হলে অতীতের যেকোনো সংঘাতের তুলনায় বহুগুণ শক্তিশালী ও কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে। তিনি আরও যোগ করেন, ‘সেই দিন শেষ হয়ে গেছে, যখন কেউ আমাদের আঘাত করত আর আমরা তার দ্বিগুণ শক্তিতে পাল্টা আঘাত করতাম না।’

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে এই সংঘাতের সূচনা হলেও গত সপ্তাহে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। তবে এখন পর্যন্ত ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে তেহরান মূলত পারস্য উপসাগরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে তাদের হামলার জবাব দিচ্ছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin