Facebook Twitter Instagram YouTube

কিডনিতে পাথরের প্রাথমিক লক্ষণ ও জটিলতা এড়ানোর উপায়


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৫, ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ /
কিডনিতে পাথরের প্রাথমিক লক্ষণ ও জটিলতা এড়ানোর উপায়

কিডনিতে পাথর সমস্যাটি বর্তমানে কেবল বয়স্কদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তরুণদের মধ্যেও এর প্রকোপ বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, রোগের প্রাথমিক উপসর্গগুলো দ্রুত শনাক্ত করতে পারলে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসার মাধ্যমে বড় ধরনের জটিলতা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। তবে লক্ষণগুলো অবহেলা করলে কিডনির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

ইউরোলজিস্ট অনিল কুমার বার্ষ্ণেয় জানান, কিডনিতে পাথরের অন্যতম সাধারণ লক্ষণ হলো পিঠের এক পাশে বা কোমরের নিচের দিকে হঠাৎ তীব্র ব্যথা অনুভূত হওয়া। এই ব্যথা অনেক সময় তলপেট বা কুঁচকির দিকেও ছড়িয়ে পড়ে এবং এতটাই তীব্র হতে পারে যে, রোগীর জন্য স্বাভাবিকভাবে দাঁড়িয়ে থাকা বা হাঁটাচলা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

পাথর যদি মূত্রনালিতে চলে আসে, তবে প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভূত হতে পারে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ডিসইউরিয়া বলা হয়। এমন উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া অনেকের ক্ষেত্রে প্রস্রাবে রক্তও দেখা দিতে পারে, যার ফলে প্রস্রাবের রং লাল, গোলাপি বা বাদামি হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে রক্তের পরিমাণ এতই কম থাকে যে তা খালি চোখে ধরা পড়ে না।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, কিডনি ও পরিপাকতন্ত্রের স্নায়ুর পারস্পরিক সংযোগের কারণে তীব্র ব্যথার সঙ্গে বমি বা বমি বমি ভাব হওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে, কিডনিতে পাথরের সঙ্গে সংক্রমণ যুক্ত হলে জ্বর ও কাঁপুনি হতে পারে। বিশেষ করে জ্বরের সঙ্গে তীব্র ব্যথা থাকা গুরুতর সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে, তাই এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

চিকিৎসকদের মতে, এসব লক্ষণের কোনোটি দেখা দিলে নিজে থেকে কোনো ওষুধ সেবন না করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে চিকিৎসা শুরু করা উচিত। এতে জটিলতা এড়ানোর পাশাপাশি কিডনির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির ঝুঁকিও কমানো সম্ভব।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh