Facebook Twitter Instagram YouTube

বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করল এলপিপি


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২০, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ /
বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করল এলপিপি

ইউরোপীয় রিটেইল খাতের অন্যতম শীর্ষ বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান এলপিপি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের প্রতি তাদের সুদৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে দেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পের প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে নিজেদের ভূমিকার ওপরও প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে।

দেশের অন্যতম বৃহৎ পোশাক ক্রেতা হিসেবে এলপিপি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে পোশাক ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান অষ্টম। বছরে ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি মূল্যের পোশাক সোর্সিংয়ের পাশাপাশি ৩৫০টিরও বেশি বাংলাদেশি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে এলপিপি। প্রতিষ্ঠানটির এই ব্যবসায়িক কার্যক্রম হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের শিল্পোন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখছে।

সম্প্রতি আর্থিক জটিলতার বিষয়ে এলপিপি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এফইএস-এর সঙ্গে পূর্ববর্তী ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারণে তারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। বর্তমানে এফইএস-এর কাছে এলপিপি-এর পাওনা ৩৬.৫ বিলিয়ন টাকা, যা প্রায় ১.১ বিলিয়ন পোলিশ জ্লোটি। তৃতীয় পক্ষের এই দায়ের কারণে পোল্যান্ডভিত্তিক রিটেইল প্রতিষ্ঠানটি বড় ধরনের আর্থিক চাপের মুখে পড়লেও পরিস্থিতি স্বচ্ছতার সঙ্গে মোকাবিলা করছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এলপিপি-এর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই আর্থিক চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করবে না। তারা সোর্সিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখা, নিজস্ব চুক্তি অনুযায়ী দায়বদ্ধতা পালন এবং বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে স্থিতিশীল ও স্বচ্ছ ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্যমতে, বাংলাদেশ তাদের বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এফইএস-সংক্রান্ত ইস্যুতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ হওয়া সত্ত্বেও, বাংলাদেশের পোশাক খাতের স্থিতিশীলতা, দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধি এবং স্থানীয় কর্মীদের স্বার্থ নিশ্চিত করাই তাদের অগ্রাধিকার। ভবিষ্যতে সরবরাহ ব্যবস্থায় ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রস্তুতকারক ও শিল্পসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে এলপিপি। বাংলাদেশে তাদের এই বৃহৎ বিনিয়োগ স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি বৈশ্বিক পোশাকশিল্পের ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করবে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh