Facebook Twitter Instagram YouTube

ঢাকায় ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সামিট ২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৫, ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ণ /
ঢাকায় ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সামিট ২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে রাজধানীর নভোথিয়েটারে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট-২০২৬’। শনিবার সকাল সোয়া ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই সামিটের উদ্বোধন করেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে আয়োজনের সূচনা হয় এবং ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়ামের ওপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

‘বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর ভবিষ্যৎ নির্মাণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই সামিটের আয়োজন করেছে সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং সিলিকন রিভার। সামিটের মূল উদ্দেশ্য হলো সেমিকন্ডাক্টর, বায়োটেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবোটিক্স শিল্পের বর্তমান অবস্থা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগের সুযোগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়গুলো বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের নীতিনির্ধারক, গবেষক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া গ্লোবালফাউন্ড্রিজ, এনএক্সপি, অ্যাপ্লাইড ম্যাটেরিয়ালস, স্যানডিস্ক, ক্রেডো এবং ভিয়েতনাম সেমিকন্ডাক্টর অ্যালায়েন্স অ্যান্ড পার্টনারশিপের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিয়েছেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ, আইসিটি বিভাগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ও প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। এছাড়া বিএসআইএ সভাপতি এম এ জাব্বার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন এবং কি-নোট স্পিকার হিসেবে পারড্যু ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও সিলিকন রিভার ইনিশিয়েটিভের চিফ আর্কিটেক্ট প্রফেসর মুহাম্মদ মোস্তফা হুসাইন বক্তব্য রাখেন।

সামিটের পাশাপাশি ‘বিইএআর ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে ৩৫টি স্টলে শিক্ষার্থী ও স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবিত সেমিকন্ডাক্টর, রোবোটিক্স, স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তি ও অন্যান্য ডিপ-টেক খাতের উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী স্টলগুলো পরিদর্শন করেন। সামিটের দ্বিতীয় ও সমাপনী দিন আগামী ২৬ জুলাই ‘ক্রিস্টে ফেলো রিসার্চ সিম্পোজিয়াম’ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে তরুণ গবেষকরা তাদের গবেষণাকর্ম উপস্থাপন করবেন। এছাড়া সেমিকন্ডাক্টর সুপারিশমালা ও রোডম্যাপসহ আটটি কৌশলগত জাতীয় দলিল প্রকাশ করা হবে, যা বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতের দীর্ঘমেয়াদী বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা দেবে।

এর মধ্যে থাকবে সেমিকন্ডাক্টর সুপারিশমালা, ট্যালেন্ট রোডম্যাপ ২০৩০, ইকোসিস্টেম রোডম্যাপ, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব কাঠামো, ডিপ-টেক অগ্রাধিকার খাত ও বাণিজ্যিকীকরণ কাঠামো।আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এসব দলিল বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক খাতের দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবায়ন কাঠামো তৈরিতে দিকনির্দেশনা দেবে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy