Facebook Twitter Instagram YouTube

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত, বিচারের আশ্বাসে মোদি


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৩, ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ /
দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত, বিচারের আশ্বাসে মোদি

ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তরমন্তরে তেলাপোকা জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে আয়োজিত ধরনা ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ছাত্র-যুবদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শিক্ষার্থীদের এই জমায়েতে সংহতি প্রকাশ করেছেন। বুধবার রাতের দিকে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সেখানে ভিড় সামাল দিতে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে যন্তরমন্তর চত্বরে, যার ফলে পরিস্থিতি কিছুটা থমথমে। নিরাপত্তার খাতিরে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপক জানিয়েছেন, তাদের এই আন্দোলনের আজ ৩৪তম দিন। এছাড়া সোনম ওয়াংচুকের অনশনের আজ ২৬তম দিন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। তবে তিনি সোনম ওয়াংচুককে অনশন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন।

এই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তরুণদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং এর চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না। প্রশ্নফাঁসের বিতর্কে ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিয়ে মোদি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার এই ঘটনার বিচারের জন্য ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক্স পোস্টে তিনি লিখেছেন, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তার আগে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে দিল্লি পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করেছিল। সঙ্ঘের মতে, সোমবার যেভাবে পুলিশ বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হয়েছিল, তা সঠিক ছিল না। নিট প্রশ্নফাঁস ও সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার অনিয়মের মতো ঘটনায় শিক্ষার্থীদের ক্ষুব্ধ হওয়া স্বাভাবিক এবং সরকার অনেক আগেই আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারত বলে আরএসএস মনে করে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর অপসারণের বিষয়ে সঙ্ঘ কোনো মন্তব্য করেনি।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin