Facebook Twitter Instagram YouTube

মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি ইরানের


প্রকাশের সময় : জুলাই ১৩, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ /
মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও আত্মঘাতী ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। বার্তা সংস্থা আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় এবং গত ৪৮ ঘণ্টায় শনাক্ত করা লক্ষ্যবস্তুর ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু হয়েছে। তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্র কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো দেশই এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা তথ্য প্রকাশ করেনি।

ইরানি কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, অভিযানের প্রথম ধাপে জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ঘাঁটির কয়েকটি জ্বালানি সংরক্ষণাগার ও গোলাবারুদের গুদামে আগুন লাগে। দ্বিতীয় ধাপে বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়। আইআরজিসি জানিয়েছে, এই হামলায় মার্কিন হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, একটি পি-৮ সামুদ্রিক নজরদারি বিমানের হ্যাঙ্গার এবং ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অভিযানের তৃতীয় ধাপে কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও জ্বালানি ট্যাংক ধ্বংস করার দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে থাকা একটি কৌশলগত রাডার ব্যবস্থাও হামলায় ধ্বংস হয়েছে বলে তাদের দাবি। আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, তাদের সামরিক অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।

ইরানি সামরিক কর্মকর্তারা এই অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতির অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের ভাষ্য, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও কর্মকাণ্ডের জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে কোনো বহিরাগত শক্তির আগ্রাসন ইরান মেনে নেবে না এবং প্রয়োজন হলে প্রতিশোধমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, বাহরাইন বা কুয়েতের পক্ষ থেকে ইরানের এসব হামলার দাবির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy