Facebook Twitter Instagram YouTube

রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পদোন্নতিতে পেশাদারিত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২৩, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ /
রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পদোন্নতিতে পেশাদারিত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থাকার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, পদোন্নতির মূল ভিত্তি হতে হবে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য এবং নিযুক্তিগত উপযুক্ততা। রবিবার বিমানবাহিনী সদরদপ্তরে ‘নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের বিভিন্ন আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে নৌ ও বিমানবাহিনীর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন সরকারপ্রধান। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন তাকে স্বাগত জানান।

পরে প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এ সময় নৌবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা কামনা করেন। অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, সেনা ও বিমানবাহিনী প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনীর বিভিন্ন অপারেশনাল ও কৌশলগত স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্র, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (ADSI), এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (ACOC) এবং অ্যারোস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স (ARDC)-এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়া তিনি বিমানবাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন উড্ডয়ন ব্যবস্থা, যেমন আধুনিক ড্রোন, কামিকাজে ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ও ভিটিওএল (VTOL) ঘুরে দেখেন এবং সামরিক আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে এই উদ্ভাবনগুলোকে ইতিবাচক হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy