Facebook Twitter Instagram YouTube

বাংলাদেশি শরণার্থীদের ৬ মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা অমিত শাহের


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২৩, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ /
বাংলাদেশি শরণার্থীদের ৬ মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা অমিত শাহের

বাংলাদেশ থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া অমুসলিম শরণার্থীদের আগামী ছয় মাসের মধ্যে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কথিত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে তাড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় অমিত শাহ এই ঘোষণা দেন। মূলত ভারতের নতুন তিনটি ফৌজদারি আইন—ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস) এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম (বিএসএ) নিয়ে আয়োজিত একটি প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে তিনি নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) ও অনুপ্রবেশের বিষয়ে কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সিএএ অনুযায়ী নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের আটটি জেলার জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে বাধ্য হয়ে পালিয়ে আসা প্রতিটি হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীকে অবশ্যই সম্মানের সঙ্গে এখানে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।’ এই প্রক্রিয়া আগামী ছয় মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার আশ্বাস দেন তিনি।

কথিত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নীতি পুনর্ব্যক্ত করে অমিত শাহ বলেন, তাদের নীতি হলো—‘শনাক্ত করা, তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং ফেরত পাঠানো।’ পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘বাংলার মানুষকে আবারও প্রতিশ্রুতি দিতে চাই, প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে শনাক্ত করা হবে এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে।’

অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচনা করেন অমিত শাহ। তিনি অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএএর বিরোধিতা করেছিলেন এবং এটি বাস্তবায়নে কেন্দ্রের উদ্যোগকে উপহাস করেছিলেন। মমতাকে উদ্দেশ্য করে শাহ বলেন, ‘মমতা দিদি, আপনি এটি গ্রহণ করেননি। কিন্তু আপনার সরকারও নেই, আপনিও নেই। এখন এখানে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার।’

২০Input সালে ভারতে পাস হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে ভারতে প্রবেশ করা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। অমিত শাহের এই সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর পশ্চিমবঙ্গে সিএএ, শরণার্থী নাগরিকত্ব, বাংলাদেশ থেকে কথিত অবৈধ অভিবাসন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক ও উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এখন এখানে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার।’কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পশ্চিমবঙ্গের আট জেলা প্রশাসককে সিএএর অধীনে নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দিয়েছে বলেও জানান তিনি।২০১৯ সালে পাস হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে যাওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy