
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী এবং তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের বন্ধু এবং প্রতিবেশী সীমান্ত দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সামনে তিনি এই জবানবন্দি প্রদান করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সীমান্ত দাসের দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের আগের পরিস্থিতির যে বর্ণনা পাওয়া গেছে, তা গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধর দেওয়া তথ্যের সঙ্গে মিলে গেছে। আসামিরা এর আগে জানিয়েছিল যে, ঘটনার পূর্বে তারা সীমান্ত দাসের বাড়িতে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিল, যা সীমান্তের জবানবন্দিতেও উঠে এসেছে।
এর আগে, গত ২৩ আগস্ট বিকেলে নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই রাতেই সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :