
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার বর্তমানে ক্যাম্পাসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া আম্মারের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, উগ্র আচরণ, নৈরাজ্য, সহিংসতা, আর্থিক অস্বচ্ছতা ও একাধিক বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের কাছে তিনি বর্তমানে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছেন।
তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের শুরু রাকসুর জিএস হওয়ারও আগে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক থাকাকালীন পোষ্য কোটা আন্দোলনে সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীনকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তিনি প্রথম আলোচনায় আসেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ঘটা সেই ঘটনায় আম্মারের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা উপ-উপাচার্যের গাড়ি ঘেরাও করে এবং জুবেরী ভবনে অবস্থানরত উপ-উপাচার্য ও প্রক্টরসহ কর্মকর্তাদের দীর্ঘসময় অবরুদ্ধ করে রাখে। ওই সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। যদিও সমালোচনার মুখে আম্মার দাবি করেছিলেন, শিক্ষকেরা পিতৃতুল্য এবং তাদের গায়ে হাত তোলা হয়নি।
জিএস নির্বাচিত হওয়ার পর গত এক বছরে তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের ধারা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে মব সন্ত্রাসের মতো সহিংস ঘটনায় তার নাম জড়িয়েছে। সাবেক এক পঙ্গু ছাত্রলীগ নেতাকে নৃশংস কায়দায় পিটিয়ে হত্যার দায়ভারও এখন তার কাঁধে এসে পড়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে তিনি ছাত্র রাজনীতির আলোচিত ও বিতর্কিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
আপনার মতামত লিখুন :