ত্রিদেশীয় সিরিজে রাওয়ালপিন্ডিতে এক অবিশ্বাস্য জয়ের সাক্ষী হলো ক্রিকেট বিশ্ব। ইংল্যান্ডের দেওয়া ৪৩০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছেছে শ্রীলঙ্কা। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।
ম্যাচের শুরুতে ২৪ রানের মাথায় শ্রীলঙ্কা তাদের দুই ওপেনার কামিন্দু মেন্ডিস (১৮) ও অধিনায়ক কুশল মেন্ডিসকে হারিয়ে চাপে পড়েছিল। কামিন্দুকে বোল্ড করেন জশ টাঙ। তবে এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় লঙ্কানরা। আভিস্কা ফার্নান্দো ও পাভান রত্মায়েক ১৬৬ রানের একটি দুর্দান্ত জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরান। আভিস্কা সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৩ রান দূরে থাকতেই ওভারটনের বলে ক্যাচ দিয়ে ১৯০ রানে আউট হন।
তৃতীয় উইকেট পতনের পর পাভান রত্মায়েক ও দাসুন শানাকা মিলে আরও ১৩৩ রান যোগ করেন। এই জুটিতেই পাভান তার সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। পাভান ১৩০ রান করে স্যাম কারানের বলে আউট হওয়ার পর ৩২৩ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। এরপর দাসুন শানাকাও সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে ৯৭ রানে আউট হন। ৩৬৩ রানে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর সাহান আরচ্চিগে ১৩ রান করে দলের স্কোর চারশো পার করেন।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল ৮ রান। ওভারের প্রথম বলে জানিথ লিয়ানেজ এক রান নিলেও পরের দুই বলে ভেল্লালাগে ও ইশান মালিঙ্গাকে বোল্ড করে জশ টাঙ ইংল্যান্ডের জয়ের স্বপ্ন জাগিয়ে তুলেছিলেন। তবে হ্যাটট্রিক বলে আসিথা ফার্নান্দো এক রান নিয়ে লিয়ানেজকে স্ট্রাইক দেন। শেষ দুই বলে ৬ রানের প্রয়োজনে লিয়ানেজ জশ টাঙকে সীমানা ছাড়া করে দলের অবিশ্বাস্য জয় নিশ্চিত করেন। হ্যারি ব্রুকের দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড ছাপিয়ে লঙ্কানদের এই জয় ক্রিকেট ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।
৯৭ রান করা দাসুন শানাকাও সেঞ্চুরি মিস করেন আভিস্কার মতো। ৩৬৩ রানে তিনি আউট হলে পঞ্চম উইকেট হারায় লঙ্কানরা। এরপর সেখান থেকে জানিথ লিয়ানেজকে সঙ্গ দিয়ে দলের স্কোর চারশো পার করিয়ে আউট হন সাহান আরচ্চিগে ১৩ রানে। ৪০৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় তারা।
আপনার মতামত লিখুন :