Facebook Twitter Instagram YouTube

সিলেটে দেশের প্রথম সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ /
সিলেটে দেশের প্রথম সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু

সিলেটে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) উদ্যোগে দেশের প্রথম ‘সীমান্ত স্কুল অব সারভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’ যাত্রা শুরু করেছে। দুর্গম সীমান্ত এলাকায় নজরদারি কার্যক্রম আরও জোরদার করতে থার্মাল ইমেজিং ও নাইট ভিশন সুবিধা সম্বলিত ড্রোন ব্যবহারের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট বিজিবি সেক্টর সদরদপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি কেন্দ্রটির কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রদর্শনী ও মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিজিবির এই প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা একটি অনন্য ঘটনা। মেধা, প্রযুক্তি ও জ্ঞাননির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে বিভিন্ন বাহিনী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। তিনি আরও জানান, সীমান্তের চোরাচালান, মাদক ও অস্ত্র পাচার, মানবপাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। যেসব দুর্গম এলাকায় জনবল দিয়ে ম্যানুয়ালি নজরদারি চালানো কঠিন, সেখানে নাইট ভিশন ও থার্মাল ইমেজিং ড্রোন ব্যবহার করা হবে।

প্রশিক্ষণকেন্দ্রটির উদ্দেশ্য তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এর মাধ্যমে ড্রোন ও ডিজিটাল নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ জনবল তৈরি করা হবে। ভবিষ্যতে বর্ডার আউটপোস্ট, বিজিবি সদরদপ্তর এবং আঞ্চলিক কমান্ড পর্যায় থেকেও সীমান্ত পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

বিজিবির জন্য নিজস্ব ড্রোন তৈরি ও সংযোজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে এগুলো আমরা অ্যাসেম্বল করছি এবং ভবিষ্যতে এটি একটি ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। বর্তমানে প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বিশ্বের বিভিন্ন ধরনের আধুনিক ড্রোন রাখা হয়েছে এবং আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে আরও উন্নত ড্রোন যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। আপাতত এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাহিনীর সদস্যদের জন্য পরিচালিত হলেও, ভবিষ্যতে প্রয়োজনে বেসামরিক জনগণকেও এর আওতায় আনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy