
কথায় আছে, ‘নামে নামে জমে টানে।’ কিন্তু এই নামের মিলই এক নিরীহ চা দোকানির জীবনে বয়ে এনেছে চরম বিপর্যয়। ছিনতাই মামলার প্রকৃত আসামির সঙ্গে নামের মিল থাকায় ভুলবশত সেই চা দোকানিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। অথচ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে ব্যক্তিকে খুঁজছিল, তিনি আগেই জামিন নিয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন।
ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ২৭ মে। ঈদের ছুটিতে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ ঢাকা থেকে ট্রেনে রাজশাহী রেলস্টেশনে নামেন। সেখান থেকে রিকশায় করে নগরীর কোর্ট এলাকার গোয়ালপাড়ায় নিজের বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে সিটি বাইপাস এলাকায় তিন ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। ছিনতাইকারীরা দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় তিনি রাজপাড়া থানায় অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
তদন্তের এক পর্যায়ে ওই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর নগরীর হেতেমখাঁ এলাকার আবুল কালামের ছেলে রকিকে উক্ত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর আদালতপাড়ায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজপাড়া থানার এসআই এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাশেদুল হাসান বলেন, আদালতের পরোয়ানা বোয়ালিয়া থানায় পাঠানো হয়েছিল। প্রকৃত সন্দেহভাজন আসামি রকির পরিবর্তে ভুল করে এই চা দোকানি রকিকে ধরার দায় সংশ্লিষ্ট থানার অফিসারের। বর্তমানে ওই চা দোকানির পরিবার দাবি করছে, গ্রেপ্তার হওয়া রকি মামলার প্রকৃত আসামি নন।
আপনার মতামত লিখুন :