Facebook Twitter Instagram YouTube

ইরান নিয়ে ইতিবাচক আলোচনার দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের অস্বীকার


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৮, ২০২৬, ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ /
ইরান নিয়ে ইতিবাচক আলোচনার দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের অস্বীকার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে খুবই ইতিবাচক আলোচনা চলছে। সোমবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি যুদ্ধের অবসান নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, পরিস্থিতি ভালো দিকে যাওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। টানা তৃতীয় দিনের মতো উভয় পক্ষের মধ্যে কোনো হামলার ঘটনা না ঘটায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তবে ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বর্তমান আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করতে বাধ্য হবে।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের এই আলোচনার দাবির বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছে তেহরান। বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা প্রতিদিনের বিমান হামলা ও পাল্টাপাল্টি আক্রমণের পর বর্তমানে উভয় পক্ষই হামলা থেকে বিরত রয়েছে। এর আগে জুন মাসে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও তা কার্যত ভেঙে পড়েছিল। তৎকালীন মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভাষ্যমতে, তাদের লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের সৃষ্ট হুমকি দূর করা। এই প্রণালিটি বিশ্বের জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ। সংঘাত কমে আসার খবরে সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৯ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে আসে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, তিনি শুক্রবার ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কারণ বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী দেশ তাকে আলোচনার জন্য আরেকটি সুযোগ দেয়ার অনুরোধ করেছিল। পাঁচ মাস ধরে চলা যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত কমে এসেছে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, তা দৃঢ়ভাবে উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রচুর পরিমাণ গোলাবারুদ ও মাঝারি পর্যায়ের অস্ত্র রয়েছে যা শেষ হওয়ার মতো নয়। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলিও বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কৌশলগত লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ ও অস্ত্রের মজুত সেনাবাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অপারেশন এপিক ফিউরি প্রমাণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার পরিণতি কী হতে পারে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin