
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের পরামর্শক হিসেবে আবারও বোর্ডে ফিরেছেন সাবেক অধিনায়ক ও সফল মেন্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। নতুন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের বিশেষ উদ্যোগে তাকে দুই বছরের জন্য এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সুজনকে বিসিবিতে ফিরিয়ে আনার পেছনে কাজ করেছে তার অতীত সাফল্য। ২০২০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ যুব দল যখন প্রথমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়, তখন দলের মেন্টর ও গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধান হিসেবে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন সুজন। মূলত তার এই 'বিশ্ব জয়ের' অভিজ্ঞতাকে দেশের ক্রিকেটের ভিত্তি শক্তিশালী করতে কাজে লাগাতে চান বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তৃণমূল পর্যায়ে সাবেক সফল ক্রিকেটার ও মেন্টরদের কাজে লাগানোর যে পরিকল্পনা তামিম করেছিলেন, সুজনকে ফেরানো তারই অংশ।
উভয় পক্ষের ফলপ্রসূ আলোচনা শেষে সাবেক এই পেস অলরাউন্ডারকে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের পরামর্শক হিসেবে দুই বছরের জন্য চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন এই দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তার কোচিং ক্যারিয়ারের সিংহভাগ সময়ই কেটেছে বয়সভিত্তিক ও ডেভেলপমেন্ট ক্রিকেটারদের সঙ্গে। তাই এই কাজটি তার জন্য অত্যন্ত পছন্দের এবং আগামী দুই বছরে ভালো কিছু করার ব্যাপারে তিনি বেশ আশাবাদী।
এর আগে নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বাধীন বিসিবি পরিচালনা পর্ষদে দীর্ঘ সময় পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সুজন। সে সময় তিনি গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধানের পাশাপাশি বিভিন্ন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে জাতীয় দলের টিম ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলেছেন। বর্তমান বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ সুজনের এই বিশাল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের ক্রিকেটের পাইপলাইন আরও মজবুত করতে চায়।
আপনার মতামত লিখুন :