
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রুট সম্প্রসারণ এবং সামগ্রিক আয় বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সরকার ভবিষ্যতে বিমান ভাড়া আরও কমানোর বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে। রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদীয় অধিবেশন চলাকালে মন্ত্রী বলেন, রুটগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে বিমানের আয় বাড়বে, আর সেই আয় বাড়ার প্রেক্ষিতেই ভাড়া কমানোর বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সাথে দেখবে।
হজযাত্রীদের বিমান ভাড়ার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, শুরুতে বিমান প্রায় ২ লাখ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তা কমিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকায় নামিয়ে আনে। গত হজে সর্বোচ্চ ভাড়া ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা থাকলেও, ডায়নামিক প্রাইসিং পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে তা এ বছর ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য এয়ারলাইন্সের প্রচলিত পদ্ধতির সাথে সামঞ্জস্য রেখেই বিমানের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অভ্যন্তরীণ রুটে বিশেষ করে উড্ডয়নের শেষ সময়ে টিকিট কেনা নিয়ে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মুজিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে প্রকৃত বিমান ভাড়া ১২ হাজার নয়, বরং প্রায় ৬ হাজার ৪০০ টাকা। এর সাথে ১৫ শতাংশ কর ও অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জ যুক্ত হয়। তিনি আরও বলেন, ফ্লাইট ছাড়ার শেষ সময়ে টিকিটের দাম নিয়ে যে কারসাজি বা কালোবাজারির অভিযোগ রয়েছে, তা রোধে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। যাত্রীরা যাতে নির্ধারিত মূল্যে টিকিট কিনতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, ইনশাআল্লাহ, আপনাদের কখনো বেশি দামে এই টিকিট কিনতে হবে না।
আপনার মতামত লিখুন :