
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির উদ্যোগে জাতীয় সংসদ অভিমুখে একটি পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বাংলামোটর মোড় থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা এতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। পদযাত্রাটি জাতীয় সংসদের সামনে গিয়ে শেষ হবে এবং এরপর একটি প্রতিনিধি দল স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করবে।
পদযাত্রার শুরুতে বাংলামোটরের রূপায়ন ট্রেড সেন্টারের সামনে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বেলা তিনটার দিকে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের শিকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান। সমাবেশে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কঠোর সমালোচনা করেন এবং সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রণীত গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার জোর দাবি জানান। সমাবেশে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানসহ আরও কয়েকজন বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশে সমাপনী বক্তব্যে ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াত নেতা এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ এই কর্মসূচির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি জানান, সংসদ ভবনের সামনে পদযাত্রা শেষ হওয়ার পর প্রতিনিধি দল সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেবে। এ সময় পদযাত্রায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, জামায়াতে যোগ দেওয়া সাবেক বিএনপি নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এবং জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধানসহ বিভিন্ন সময়ে গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মিছিলের সময় অংশগ্রহণকারীরা ‘বাংলাদেশে আয়নাঘর, থাকবে না রে থাকবে না’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন ভারতে’, ‘ঘেরাও ঘেরাও হবে, সংসদ ভবন ঘেরাও হবে’ এবং ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’ স্লোগান দেন। বিকেল চারটা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পদযাত্রাটি ফার্মগেট এলাকা অতিক্রম করছিল।
আপনার মতামত লিখুন :