Facebook Twitter Instagram YouTube

দিল্লি পুলিশের প্রতিরোধমূলক আটকের মেয়াদ ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৩, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ /
দিল্লি পুলিশের প্রতিরোধমূলক আটকের মেয়াদ ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি

দিল্লি পুলিশের ‘প্রতিরোধমূলক আটক’ বা প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন করার ক্ষমতার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর তরনজিৎ সান্ধু এই মেয়াদ আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত বর্ধিত করেছেন বলে টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নানা মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে এবং আন্দোলনরত তরুণদের বিরুদ্ধে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

দিল্লি সরকারের স্বরাষ্ট্র বিভাগ গত ১৫ জুলাই জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, জাতীয় নিরাপত্তা আইনের (এনএসএ) ৩ নম্বর ধারার উপধারা ২ অনুযায়ী এই ক্ষমতা দিল্লি পুলিশের কমিশনারকে প্রদান করা হয়েছে। পুলিশ অবশ্য বিষয়টিকে একটি নিয়মিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে বর্ণনা করেছে। পুলিশের দাবি, সিজেপি বা ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন দমনের জন্য এই ক্ষমতা দেয়া হয়নি, বরং প্রতি তিন মাস অন্তর এটি নিয়মিতভাবে নবায়ন করা হয়।

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, দেশের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে কোনো ব্যক্তিকে তিন মাস থেকে সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত আটক রাখা যায়। যেহেতু এটি প্রতিরোধমূলক আটক, তাই সাধারণ গ্রেপ্তারের মতো আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। দিল্লি সরকারের এক কর্মকর্তা জানান, ১৯৮০-এর দশক থেকেই দিল্লি পুলিশের কমিশনার এই ক্ষমতা পেয়ে আসছেন এবং বর্তমান পরিস্থিতির কারণে কোনো বিশেষ অনুরোধ করা হয়নি।

উল্লেখ্য, পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে গত ২০ জুন থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি আন্দোলন শুরু করে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধী দলগুলো তীব্র সমালোচনা করেছে। এআইএমআইএম সভাপতি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি প্রশ্ন তুলেছেন যে, যন্তর মন্তরের আন্দোলন কীভাবে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে? তিনি অভিযোগ করেন, একদিকে সরকার বিশেষ আদালতের কথা বলছে, অন্যদিকে কারণ প্রকাশ না করেই আন্দোলনকারীদের ১২ মাস পর্যন্ত আটক রাখার ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে। ওয়াইসি আরও বলেন, সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়ে তরুণদের অধিকারের আন্দোলনকে জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে দেখছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin