Facebook Twitter Instagram YouTube

মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় পোশাককর্মী হত্যায় প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ /
মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় পোশাককর্মী হত্যায় প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি

ঢাকার সূত্রাপুরে ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের সামনে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় ১৮ বছর বয়সী পোশাককর্মী মিতুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি রাহিম আহম্মেদ রাফি (১৯) আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিন দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তার এই জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি দেওয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সূত্রাপুর থানার ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) শুভ বাড়ৈ এদিন রাফিকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার আবেদন জানিয়েছিলেন। গত ১৫ আগস্ট রাতে ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের ভেতর মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মিতুলকে মার্কেটের ১৪ তলায় ডিএম গার্মেন্টসের সামনে নিয়ে যায় আসামিরা। সেখানে তারা কাপড় কাটার কাঁচি ও কাটার ব্যবহার করে মিতুলের বুক, পিঠ ও দুই পায়ের উরুতে এলোপাথাড়ি আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে।

গুরুতর আহত মিতুলকে উদ্ধার করে রিকশাযোগে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মিতুলের বাবা রাসেল সরদার পরদিন রাফিসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ পর্যন্ত রাফিসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার হওয়া অপর ৯ আসামি হলেন মো. সাগর আহাম্মেদ, মো. রাসেল মিয়া, মো. আরিফ, মো. আশরাফুল, ফারদিন, মো. জুনায়িদ মিয়া, মো. মোস্তাকিম, মো. রোকন মিয়া ও মো. নাজমুল। গত ১৬ আগস্ট রাফির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিল আদালত এবং অপর ৯ আসামিকে দুই দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে ওই ৯ জনকে মঙ্গলবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।আজ রাফিকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, সূত্রাপুর থানার ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ, উপপরিদর্শক (এসআই) শুভ বাড়ৈ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।গত ১৫ আগস্ট রাত ৮ টার দিকে সূত্রাপুর থানার ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের ভেতর মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মি

সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।এ ঘটনায় মিতুলের বাবা রাসেল সরদার পরদিন রাফিসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।মামলা দায়েরের পর রাফিসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy