Facebook Twitter Instagram YouTube

বিশ্বকাপের রেকর্ডবুক ও লিওনেল মেসি: এক নজরে অনন্য সব অর্জন


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ /
বিশ্বকাপের রেকর্ডবুক ও লিওনেল মেসি: এক নজরে অনন্য সব অর্জন

আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি তার সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে ফুটবল ইতিহাসকে বারবার নতুন করে লিখেছেন। বিশেষ করে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে ৩৯ বছর বয়সে তিনি নিজের অর্জনের নজিরকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছেন। ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার পরও থামেননি মেসি; মার্কিন মুলুকে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে নিজের নামকে আরও উজ্জ্বল করেছেন এই আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

মেসি ছয়টি বিশ্বকাপে খেলা প্রথম ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস তৈরি করেছেন। ২০০৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত জার্মানি, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, রাশিয়া, কাতার এবং সর্বশেষ ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন তিনি। পুরুষদের ফুটবলে এর আগে কোনো খেলোয়াড় ছয়টি বিশ্বকাপে খেলতে পারেননি, যদিও ২০২৬ সালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও ষষ্ঠ বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে সেই নজিরে মেসির সঙ্গী হয়েছেন।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটিও মেসির দখলে। প্রথম পাঁচ বিশ্বকাপে ২৬টি ম্যাচ খেলার পর ২০২৬ বিশ্বকাপে আরও ম্যাচ যোগ করে স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনাল শেষে তার মোট বিশ্বকাপ ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (২৮ ম্যাচ) এবং তৃতীয় স্থানে জার্মানির লোথার ম্যাথাউস (২৫ ম্যাচ)।

বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটিও মেসির দখলে। ২০২২ বিশ্বকাপেই তিনি সেই রেকর্ড ভেঙেছিলেন এবং ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দিয়ে নিজের রেকর্ডকে আরও দূরে নিয়ে গেছেন। গোল করার ক্ষেত্রেও লিও নতুন ইতিহাস লিখেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরুর আগে তার নামের পাশে ছিল ১৩টি গোল। মিরোস্লাভ ক্লোসের ১৬ গোলের রেকর্ড টপকে যাওয়ার পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল শেষে মেসির বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১।

কেবল গোল নয়, গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন মেসি। এর পাশাপাশি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয়ের রেকর্ডও তিনি আরও শক্তিশালী করেছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ সেরা খেলোয়াড় হওয়ার ক্ষেত্রেও মেসি বাকিদের থেকে অনেকটা এগিয়ে। ২০২৬ বিশ্বকাপেও এই রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ হয়েছে। স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনালে জিততে না পারলেও, নিজের পায়ের জাদুতে লিও বারবার ইতিহাসকে নতুন করে লিখেছেন। যতবার বিশ্ব ভেবেছে এই হয়তো শেষ, ততবারই তিনি ফিরে এসেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবল তার এক নক্ষত্রকে হারাল।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh