
সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিরক্ষায় নির্মিত হয়েছে ‘নজরুল স্কয়ার’। পাহাড় ও ঝরনাঘেরা এই স্থানে প্রতিদিন প্রচুর পর্যটকের সমাগম ঘটে। তবে নজরদারি ও পরিচর্যার অভাবে কবির ভাস্কর্যটির বর্তমান অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভাস্কর্যের গায়ে দীর্ঘদিনের শ্যাওলা ও ময়লার আস্তরণ জমেছে, যা স্মৃতিচিহ্নটির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ার চিত্রই তুলে ধরছে।
ইকোপার্ক ও বোটানিক্যাল গার্ডেনের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন জানান, জাতীয় কবির স্মৃতি রক্ষার উদ্যোগ হিসেবে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, পর্যটকদের কাছে নজরুল স্কয়ার একটি পরিচিত আকর্ষণ এবং তারা প্রায়ই ভাস্কর্যের পাশে ছবি তোলেন। ভাস্কর্যের গায়ে শ্যাওলা ও ময়লা জমার বিষয়টি নজরে আসায় দ্রুত রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
এদিকে, ২০২৬ সালকে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম জানিয়েছেন, জাতীয় কবির ভাস্কর্য ও স্মৃতি সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়দের পক্ষ থেকে ভাস্কর্য পরিষ্কার ও সংস্কারের পাশাপাশি নজরুল স্কয়ারে একটি স্থায়ী তথ্যপ্যানেল স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে। সচেতন মহলের মতে, এটি কেবল একটি পর্যটনস্থল নয়, বরং কবির স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত একটি সাংস্কৃতিক স্মারক। তাই এর ঐতিহাসিক মর্যাদা রক্ষায় প্রশাসনের ঘোষিত উদ্যোগগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি।
আপনার মতামত লিখুন :