Facebook Twitter Instagram YouTube

তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস: দেড় যুগের রাজনৈতিক লড়াইয়ের স্মারক


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ /
তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস: দেড় যুগের রাজনৈতিক লড়াইয়ের স্মারক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। ২০০৭ সালের ৭ মার্চ জরুরি বিধিমালার অধীনে যৌথবাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। সেই সময় তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করা হয়, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল বলে দাবি করে আসছে বিএনপি।

দলটির অভিযোগ, কারাবন্দি থাকা অবস্থায় রিমান্ডে তারেক রহমানের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল। এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তী সময়ে সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে লন্ডনে নেওয়া হয়। সেই সময় তার সঙ্গে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানও লন্ডনে যান।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনের পর থেকেই তারেক রহমান দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় তাকে কেবল রাজনৈতিক অঙ্গন থেকেই নয়, বরং দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও হয়েছিল। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও এ বিষয়ে সমালোচনা করে বলেন, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সারা দেশে প্রায় ৮৩টি মামলা হয়েছিল, যার নিষ্পত্তি হয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর। দলটির ভাষ্যমতে, এসব মামলার নিষ্পত্তিই প্রমাণ করে যে সেগুলো ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফেরেন এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেন।

কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, তারেক রহমান বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার হয়ে যে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, তার স্মৃতিচিহ্ন এখনো বহন করছেন। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার প্রতিশোধের পথে না হেঁটে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din