Facebook Twitter Instagram YouTube

সয়াবিন তেলের দাম বাড়লেও বাজারে সংকট অব্যাহত, চড়া ডিম ও মুরগি


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ /
সয়াবিন তেলের দাম বাড়লেও বাজারে সংকট অব্যাহত, চড়া ডিম ও মুরগি

বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে ভোজ্যতেল বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। চলতি সপ্তাহে সরকার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা থেকে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করলেও বাজারে সরবরাহ সংকট কাটেনি। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা, সেগুনবাগিচা ও শান্তিনগরের বিভিন্ন খুচরা বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ দোকানেই এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই। তবে দুই ও পাঁচ লিটারের বোতল তুলনামূলকভাবে পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও কোথাও সরবরাহ সংকটের সুযোগ নিয়ে পুরোনো দামের তেলও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। শান্তিনগর বাজারের খুচরা বিক্রেতা এনামুল হক জানান, নতুন দাম ঘোষণার পরও কোম্পানিগুলো স্বাভাবিকভাবে অর্ডার নিচ্ছে না, ফলে বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়েনি।

দোকানিদের ভাষ্যমতে, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে সরবরাহকারীরা পর্যাপ্ত তেল দিচ্ছেন না। সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজারের মুদি দোকানি মো. তাহের জানান, চাহিদামতো তেল না পাওয়ার পাশাপাশি ২০০ টাকার তেলের বোতলে খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন কমিয়ে দেড় টাকা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম আগের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

তেলের পাশাপাশি রাজধানীর বাজারে ডিম ও মুরগির দামও চড়া। ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এলাকাভেদে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮৫ থেকে ১৯৫ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় অপরিবর্তিত।

সবজির বাজারে অবশ্য কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। ঝিঙা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, দেশি লাউ ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কচুর মুখি ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং করলা মানভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পটল ও ঢেঁড়সের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা। কাঁচা মরিচের দাম কমে ৮০-১২০ টাকা এবং শসার দাম ৪০-৫০ টাকায় নেমেছে। তবে বরবটি, টমেটো, গাজর ও কাকরোলের দাম এখনো বেশি। পেঁয়াজের দামও কিছুটা কমেছে। আগে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

কাঁচা মরিচের দাম কমে ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে নেমেছে। তবে বরবটি, টমেটো, গাজর ও কাকরোলের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din