
কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নাম লিখিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল আর্জেন্টিনা। ১০ মিনিটে লিওনেল মেসির কর্নার থেকে দারুণ এক হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আলেক্সিস মাক আলিস্টার। বিশ্বকাপে এটি ছিল মেসির রেকর্ড দশম অ্যাসিস্ট। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা রক্ষণাত্মক হয়ে পড়লে সুইজারল্যান্ড খেলার ছন্দ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে, তবে বিরতির আগে তারা এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে খুব একটা পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে সুইজারল্যান্ড আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। ৬৭ মিনিটে রিকার্দো রদ্রিগেসের সঙ্গে বোঝাপড়া করে বাঁ প্রান্ত দিয়ে ভেতরে ঢুকে নিখুঁত শটে সমতা ফেরান দান এনদোয়ে। ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ৭২ মিনিটে, যখন ভিএআর পর্যালোচনার পর অভিনয়ের দায়ে ব্রিল এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তথা লাল কার্ড দেখানো হয়। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর সুইজারল্যান্ড চাপের মুখে পড়ে।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই আর গোলের দেখা পায়নি। অতিরিক্ত সময়েও আর্জেন্টিনা একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায়, কিন্তু সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল আলমাদা, মেসি ও রোমেরোর প্রচেষ্টা রুখে দেন। অবশেষে ১১০ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন হোসে মানুয়েল লোপেস। ১১২ মিনিটে তাঁর বাড়ানো বলে বাঁ প্রান্ত থেকে অসাধারণ এক বাঁকানো শটে গোল করে সুইস রক্ষণভাগ ভেঙে দেন হুলিয়ান আলভারেস, যা ছিল বিশ্বকাপে তাঁর প্রথম গোল। অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা প্রথম মিনিটে গ্রানিত জাকার কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে পাল্টা আক্রমণে থিয়াগো আলমাদার শট কোবেল ফেরালেও ফিরতি বলে গোল করে লাউতারো মার্টিনেজ জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ের ফলে সেমিফাইনালে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারানো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।
আপনার মতামত লিখুন :