Facebook Twitter Instagram YouTube

বিশ্বকাপে কেন নিষ্প্রভ ছিলেন আর্লিং হালান্দ?


প্রকাশের সময় : জুলাই ১২, ২০২৬, ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ /
বিশ্বকাপে কেন নিষ্প্রভ ছিলেন আর্লিং হালান্দ?

নরওয়ের তারকা ফুটবলার আর্লিং হালান্দ বিশ্বকাপের ম্যাচে কেন নিজের সেরাটা দিতে পারেননি, তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। অনেকে মনে করছেন, ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলা এবং ইংল্যান্ডে জন্ম হওয়ার কারণে হয়তো তিনি নিজ দেশের বিপক্ষেই সেরাটা দিতে চাননি। আবার কেউ কেউ ভাবছেন, ম্যারাডোনার মতো ‘নিমকহারাম’ হওয়ার বদনাম এড়াতেই তিনি নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন। ১৯৯০ সালের ৩রা জুলাই ইতালিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ন্যাপোলির মাঠে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে ইতালীয়দের ক্ষোভের বিষয়টি আজও ফুটবল ভক্তদের মনে দাগ কেটে আছে।

মায়ামি স্টেডিয়ামে ৬৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে হ্যারি কেইন ও আর্লিং হালান্দের লড়াই দেখার অপেক্ষায় ছিল কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। তবে সবাইকে চমকে দিয়ে ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন জুড বেলিংহাম। তিনি জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে দেন। ইংল্যান্ডের জন্য এই জয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ৬০ বছর ধরে তারা ইংল্যান্ড কাপের অপেক্ষায় রয়েছে। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার ‘ঈশ্বরের হাত’ দিয়ে করা সেই বিতর্কিত গোলের স্মৃতি আজও বৃটিশদের মনে টাটকা।

ম্যাচে হালান্দকে কড়া মার্কিংয়ে রাখা হয়েছিল এবং সতীর্থদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত বলের জোগানও তিনি পাননি। এক পর্যায়ে নরওয়ের অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ ফরওয়ার্ড আলেকজান্ডার সরলথ বল পাস না দিয়ে নিজেই গোল করার চেষ্টা করায় হালান্দকে বেশ বিরক্ত দেখা যায়। নরওয়ের দৈনিক ‘Aftenposten’ জানায়, এই পরাজয় কষ্টদায়ক হলেও পুরো বিশ্বকাপ যাত্রা ছিল আনন্দময়।

নরওয়ে প্রথমে গোল করে এগিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত তা ধরে রাখতে পারেনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে বেলিংহাম গোল শোধ করেন। নরওয়ের একটি গোল হালান্দের ফাউলের কারণে বাতিল হয়ে যায়। এরপর গোলরক্ষকের হাত ফসকে বেরিয়ে আসা বলে বেলিংহাম দ্বিতীয় গোলটি করেন। একই ধরনের ভাগ্য স্পেন-বেলজিয়াম ম্যাচেও দেখা গিয়েছিল। এত কিছুর পরও ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল দলের পারফরম্যান্সে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন এবং তিনি কিছুটা হতাশ বলে জানিয়েছেন।

৮৬’র মেক্সিকো বিশ্বকাপে তাদের বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন দিয়েগো ম্যারাডোনা।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin