Facebook Twitter Instagram YouTube

নির্বাচন কমিশনের কাছে ৯ দফা দাবি জামায়াতে ইসলামীর


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৯, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ /
নির্বাচন কমিশনের কাছে ৯ দফা দাবি জামায়াতে ইসলামীর

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে ৯ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে দলটির একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে এই দাবিগুলো তুলে ধরে। বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাড়াও নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ এবং কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। জামায়াত প্রতিনিধি দলে ছিলেন হামিদুর রহমান আযাদ, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জসিম উদ্দীন সরকার ও শিশির মোহাম্মদ মনির।

বৈঠক শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকদের সামনে দলটির দাবি ও আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। তিনি কমিশনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ইসি একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও তারা দায়িত্ব পালনে হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে মো. সামসুল আলমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে জামায়াত তীব্র আপত্তি জানিয়েছে। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সামসুল আলম অতীতে বিএনপির নির্বাচনী আসন পুনর্নির্ধারণ কমিটির সদস্য ছিলেন। একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে ইসির মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে অন্তরায়। জামায়াতের দাবি, এই নিয়োগ বাতিল করতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারি দলের লোকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জিতিয়ে আনার লক্ষ্যেই এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জবাবে ইসি জানিয়েছে, তারা সামসুল আলমের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি জানত না এবং এই নিয়োগ সরকার দিয়েছে। জামায়াত এই উত্তরে কমিশনের অসহায়ত্ব ও অপরগতার প্রতিফলন দেখছে।

জামায়াতের ৯ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের পদধারী নেতাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনরত রাজনৈতিক ব্যক্তিদেরও নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা। এছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অযোগ্য করার প্রস্তাবিত বিধান নিয়েও জামায়াত আপত্তি জানিয়েছে। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জাতীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বিধিনিষেধ নেই, অথচ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের অযোগ্য ঘোষণা করা বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানের নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী। ইসি বিষয়টি আলোচনা করে দেখার আশ্বাস দিয়েছে বলে তিনি জানান।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor