
কৃষকদের জন্য সরকারি কৃষিসেবা আরও সহজ ও কার্যকর করার লক্ষ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড’ কার্যক্রমের আওতায় পাবনা কৃষি অঞ্চলে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। পহেলা বৈশাখে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধনের পর এবার মাঠপর্যায়ে সরাসরি কৃষকদের তথ্য নিবন্ধনের কাজ শুরু হলো। পর্যায়ক্রমে পুরো দেশে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
পাবনা কৃষি অঞ্চলের প্রতিটি উপজেলার একটি করে কৃষি ব্লকে গত ১৬ জুলাই থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত চলমান থাকবে। ঈশ্বরদী উপজেলার আরামবাড়িয়া কৃষি ব্লকে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। এই নিবন্ধিত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তীতে কৃষকদের স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে।
ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল আলীম, মো. রওশন আলম, মো. মশিউর রহমান, মো. সুজন ইসলাম, মো. নয়ন খান ও মো. ইমরান খান সাগর। এছাড়া পুরো কার্যক্রমটি তদারকি করছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল মমিন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রহল্লাদ কুমার কুন্ড এবং উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা (উদ্যান) মো. একলাছুর রহমান।
আরামবাড়িয়া ব্লকের গোপালপুর গ্রামের কৃষক মো. মাহাবুল প্রামাণিক জানান, স্মার্ট কার্ড পেলে কৃষি উপকরণ সহায়তা, সরকারি প্রণোদনা ও ঋণ সুবিধাসহ সব ধরনের সেবা দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে পাওয়া সম্ভব হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল মমিন বলেন, সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত কৃষকদের একটি নির্ভুল ডিজিটাল পরিচয় নিশ্চিত করা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই স্মার্ট কার্ড দেশের কৃষি ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও কৃষকবান্ধব করে তুলবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই দেশজুড়ে এই ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
কৃষকদের জন্য সরকারি কৃষিসেবা আরও সহজ ও কার্যকর করতে ২য় পর্যায়ের ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড’ কার্যক্রমের আওতায় পাবনা কৃষি অঞ্চলে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত পহেলা বৈশাখে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধনের পর প্রথমবারের মতো মাঠপর্যায়ে কৃষকদের তথ্য নিবন্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সারা দেশে এ কার্যক
আপনার মতামত লিখুন :