
বিশ্বজয়ের চূড়ান্ত লড়াইয়ে আজ রোববার রাতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথমার্ধের কঠিন চাপ সামলে ফাইনালে ওঠা স্প্যানিশদের সামনে এখন দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরার দারুণ সুযোগ।
এবারের আসরে স্পেনের শুরুটা অবশ্য সহজ ছিল না। চমক দেখানো কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ওই ম্যাচেই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ অভিষেক হয়েছিল তরুণ উইঙ্গার লামিন ইয়ামালের। পরে গ্রুপ পর্বে সৌদি আরবের বিপক্ষে নিজের প্রথম বিশ্বকাপ গোল পান তিনি। এই গোলের মধ্য দিয়ে ১৯৫৮ সালে পেলের পর সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড নিজের করে নেন ইয়ামাল। তবে প্রথম গোলের পর চলতি আসরে আর জালের দেখা পাননি এই তরুণ তুর্কি।
স্পেনকে ফাইনালে তোলার পেছনে বড় অবদান রেখেছেন মিকেল ওইয়ারযাবাল। চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত পাঁচটি গোল করেছেন তিনি। ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে পেনাল্টি থেকে দলের প্রথম গোলটিও এসেছিল তার পা থেকে। এছাড়া দলের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছেন মিকেল মেরিনো, যিনি জরুরি মুহূর্তে দুটি গুরুত্বপূর্ণ গোল করেছেন।
ফাইনালে ওঠার পর বৃহস্পতিবার প্রথম অনুশীলনে অবশ্য পুরো দলের সঙ্গে অংশ নেননি ইয়ামাল ও ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো। সেমিফাইনালে দলের হয়ে গোল করা পোরো ও ইয়ামালকে নিয়ে অবশ্য খুব একটা চিন্তিত নন স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। নকআউটের ম্যাচগুলোতে সাধারণত একই একাদশ খেলিয়েছেন এই কোচ। লিওনেল মেসি ও বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মেগা ফাইনালেও তিনি সেই চেনা ছকই ধরে রাখতে পারেন।
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালে স্পেনের সম্ভাব্য একাদশে গোলপোস্ট সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন উনাই সিমন। রক্ষণভাগে পেদ্রো পোরো, পাউ কুবারসি, আইমেরিক লাপোর্ত ও মার্ক কুকুরেয়া থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। মাঝমাঠে দেখা যেতে পারে রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ ও আলেক্স বায়েনাকে। আর আক্রমণভাগের গুরুদায়িত্ব থাকবে দানি ওলমো, মিকেল ওইয়ারজাবাল ও লামিন ইয়ামালের কাঁধে।
আপনার মতামত লিখুন :